ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় প্রথম ২০২৪

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
  • / ২৯ বার পড়া হয়েছে

কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা

ইরানে অনুষ্ঠিত কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে বাংলাদেশের কিশোর হাফেজ বশির আহমদ। ইরানের রাজধানীর তেহরানে আন্তর্জাতিকভাবে এই কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ৩০ পারা কোরআন গ্রুপে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১১০ টি দেশের প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন।

হাফেজ বশির আহমেদ মাত্র ৫ মাসে কুরআন হেফজ শেষ করেছিল। সে ঢাকায় অবস্থিত মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। দেশের স্বনামধন্য হেফজ শিক্ষক শায়খ নেছার আহমেদ আনসারী মিডিয়াকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বিজয়ী হাফেজ বশির আহমেদেরও শিক্ষক। উক্ত প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়েছে সাঈদ মোহাম্মদ সাদেক, ইরানের পক্ষ থেকে। নাইজেরিয়া হতে আগত আব্দুল্লাহি আব্দুল্লাহি তৃতীয় হয়েছেন।

কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া হাফেজ বশির আহমদের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখায় উপজেলায়। তার বাবার নাম মোঃ আব্দুর রশিদ চৌধুরী এবং মাতার নাম বুশরা চৌধুরী।

এর আগে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়েছিল হাফেজ বশির আহমদ। কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া উপলক্ষে কোরআন প্রেমীদের পক্ষ থেকে হাফেজ বশির আহমেদকে ঢাকায় সংবর্ধনা দেয়া হয়।

১৯৮২ সালে বাংলাদেশ, ভারত, ইরাক, সিরিয়া, মালয়েশিয়া সহ ১২ টি দেশের প্রতিযোগীদের নিয়ে তেহরান হোসেইনিয়েহ এরশাদে প্রথম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা শুরু হয়। বর্তমানে এই প্রতিযোগিতার পরিধি বেড়ে তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে গিয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবছরই কুরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় প্রথম ২০২৪

ফুটবল, ক্রিকেট বা অন্য কোন খেলাধুলায় বাংলাদেশের সফলতায় সারাদেশে বেশ হইচই পড়ে যায়। কিন্তু এ ধরনের কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের দরবারে প্রথম হওয়া হাফেজ কে নিয়ে তেমন কোন কথাবার্তা না হলেও মানুষের মনের ঠিকই জায়গা করে নেয়। বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য হাফেজ বশির আহমেদকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। আমাদের উচিত এ ধরনের মেধাবী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আরো বেশি করে উৎসাহ প্রদান করা এবং পাশে দাঁড়ানো।

কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া হাফেজ বশির আহমেদ এছাড়াও ২০২১ সালে এনটিভিতে প্রথম হয়েছিলেন এবং ২০২২ সালে কুরআন ফাউন্ডেশনের প্রতিযোগিতায়ও প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন।

রোজার ঈদ কবে হবে

হাফেজ বশির আহমেদ ছাড়াও বাংলাদেশের আরো অনেক কুরআনের হাফেজ রয়েছে যারা বিশ্ব দরবারে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেশের সুনাম বয়ে আনে। দেশকে করেন সম্মানিত। বাংলাদেশের কোরআন প্রেমী এসব ভাই-বোনদের জন্য রইল প্রাণঢালা অভিনন্দন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় প্রথম ২০২৪

আপডেট সময় : ০২:১৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

ইরানে অনুষ্ঠিত কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে বাংলাদেশের কিশোর হাফেজ বশির আহমদ। ইরানের রাজধানীর তেহরানে আন্তর্জাতিকভাবে এই কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ৩০ পারা কোরআন গ্রুপে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১১০ টি দেশের প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন।

হাফেজ বশির আহমেদ মাত্র ৫ মাসে কুরআন হেফজ শেষ করেছিল। সে ঢাকায় অবস্থিত মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। দেশের স্বনামধন্য হেফজ শিক্ষক শায়খ নেছার আহমেদ আনসারী মিডিয়াকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বিজয়ী হাফেজ বশির আহমেদেরও শিক্ষক। উক্ত প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়েছে সাঈদ মোহাম্মদ সাদেক, ইরানের পক্ষ থেকে। নাইজেরিয়া হতে আগত আব্দুল্লাহি আব্দুল্লাহি তৃতীয় হয়েছেন।

কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া হাফেজ বশির আহমদের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখায় উপজেলায়। তার বাবার নাম মোঃ আব্দুর রশিদ চৌধুরী এবং মাতার নাম বুশরা চৌধুরী।

এর আগে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়েছিল হাফেজ বশির আহমদ। কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া উপলক্ষে কোরআন প্রেমীদের পক্ষ থেকে হাফেজ বশির আহমেদকে ঢাকায় সংবর্ধনা দেয়া হয়।

১৯৮২ সালে বাংলাদেশ, ভারত, ইরাক, সিরিয়া, মালয়েশিয়া সহ ১২ টি দেশের প্রতিযোগীদের নিয়ে তেহরান হোসেইনিয়েহ এরশাদে প্রথম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা শুরু হয়। বর্তমানে এই প্রতিযোগিতার পরিধি বেড়ে তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে গিয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবছরই কুরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় প্রথম ২০২৪

ফুটবল, ক্রিকেট বা অন্য কোন খেলাধুলায় বাংলাদেশের সফলতায় সারাদেশে বেশ হইচই পড়ে যায়। কিন্তু এ ধরনের কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের দরবারে প্রথম হওয়া হাফেজ কে নিয়ে তেমন কোন কথাবার্তা না হলেও মানুষের মনের ঠিকই জায়গা করে নেয়। বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য হাফেজ বশির আহমেদকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। আমাদের উচিত এ ধরনের মেধাবী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আরো বেশি করে উৎসাহ প্রদান করা এবং পাশে দাঁড়ানো।

কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া হাফেজ বশির আহমেদ এছাড়াও ২০২১ সালে এনটিভিতে প্রথম হয়েছিলেন এবং ২০২২ সালে কুরআন ফাউন্ডেশনের প্রতিযোগিতায়ও প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন।

রোজার ঈদ কবে হবে

হাফেজ বশির আহমেদ ছাড়াও বাংলাদেশের আরো অনেক কুরআনের হাফেজ রয়েছে যারা বিশ্ব দরবারে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেশের সুনাম বয়ে আনে। দেশকে করেন সম্মানিত। বাংলাদেশের কোরআন প্রেমী এসব ভাই-বোনদের জন্য রইল প্রাণঢালা অভিনন্দন।