ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জল্লাদ শাহজাহান বিয়ে করে সর্বশান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪
  • / ২৭ বার পড়া হয়েছে

জল্লাদ শাহজাহান বিয়ে করে সর্বশান্ত!

মাত্র কয়েক মাস আগেই কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন জল্লাদ শাহজাহান। কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের ফাঁসির দায়িত্বে থাকা এই জল্লাদ শাহজাহান দেশব্যাপী বেশ পরিচিত। সেই জল্লাদ শাজাহান এখন বিয়ে করে সর্বশান্ত।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জল্লাদ শাহজাহান বলেন, গত বছর জুন মাসে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর আমি কেরানীগঞ্জে বসবাস শুরু করি। নতুন জীবন যাপনের আশায় একটি চায়ের দোকান দিয়ে কোন মতে চলতে থাকি। তো একদিন দোকান থেকে বাসায় যাওয়ার পথে অটো রিক্সায় একটি ভ্যানিটি ব্যাগ পাই। বেগে থাকা নাম্বারে যোগাযোগ করলে সাথী আক্তার ফাতেমা নামে এক মেয়ে এসে ব্যাগটি নিয়ে যায়। তারপর থেকে মেয়েটির সাথে ফোনে বেশ কয়েকবার কথা হয় আমার।

এভাবে পরিচয়ের দেড় মাস পর পাঁচ লাখ টাকা কাবিন করে মেয়েটির সাথে বিয়ে হয় আমার। কাবিনের ৫ লাখ টাকা ছাড়াও একটি স্ট্যাম্পে সিগনেচার করে মেয়ে পক্ষ আমার কাছ থেকে আরও ১০ লাখ টাকা নেয়। তারপর সংসার করার দুই মাস পরে আমার বাসা থেকে প্রায় ৭ লাখ ও গহনা নিয়ে মেয়েটি পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে আমি মেয়েটির নামে আদালতে অভিযোগ করতে গেলে জানতে পারি যে সাথী আক্তারই উল্টো আমার নামে আদালতের মামলা করেছে। আমি নাকি যৌতুকের জন্য তার উপর নির্যাতন করেছি। ঠিক এই কথাগুলোই কান্না জড়িত কন্ঠে বলছিলেন জল্লাদ শাহজাহান। বিয়ে করে জল্লাদ শাজাহান এখন সর্বস্বান্ত।

জল্লাদ শাহজাহান বিয়ে করে সর্বশান্ত

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে তিনি ৫ লাখ টাকা পেয়েছিলেন। এছাড়া কারা কারা থাকাকালীন বিভিন্ন শুভাকাঙ্খী এবং আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া টাকাসহ তার কাছে মোট ১৮ লাখ টাকা ছিল। সেই টাকা সবই খুইয়েছেন বিয়ে করে।

জল্লাদ শাজাহান সব হারিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে গেছেন। তিনি বলেন, আমি এখন ২-৩ দিন পর পর ভাত খাই। ৪০ বছর কারাগারে থেকে এখন মনে হচ্ছে কারাগারই অনেক ভালো ছিল। বাইরের জীবন অনেক কঠিন। মানুষ মানুষকে এত ভাবে প্রতারিত করে জানা ছিল না। আমার দোকানে একটি ছেলে কাজ করতো, চার মাস কাজ করার পর সেও দোকানের ৪০ হাজার টাকা এবং মোবাইল চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়।

ভুয়া ডাক্তার মুনিয়া

সব হারিয়ে নিঃস্ব শাহজাহান এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার স্ত্রীর সাথী আক্তার ফাতেমার বিচার চান এবং নিজের জন্য চান একটি কর্মসংস্থান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জল্লাদ শাহজাহান বিয়ে করে সর্বশান্ত

আপডেট সময় : ১০:২৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

মাত্র কয়েক মাস আগেই কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন জল্লাদ শাহজাহান। কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের ফাঁসির দায়িত্বে থাকা এই জল্লাদ শাহজাহান দেশব্যাপী বেশ পরিচিত। সেই জল্লাদ শাজাহান এখন বিয়ে করে সর্বশান্ত।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জল্লাদ শাহজাহান বলেন, গত বছর জুন মাসে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর আমি কেরানীগঞ্জে বসবাস শুরু করি। নতুন জীবন যাপনের আশায় একটি চায়ের দোকান দিয়ে কোন মতে চলতে থাকি। তো একদিন দোকান থেকে বাসায় যাওয়ার পথে অটো রিক্সায় একটি ভ্যানিটি ব্যাগ পাই। বেগে থাকা নাম্বারে যোগাযোগ করলে সাথী আক্তার ফাতেমা নামে এক মেয়ে এসে ব্যাগটি নিয়ে যায়। তারপর থেকে মেয়েটির সাথে ফোনে বেশ কয়েকবার কথা হয় আমার।

এভাবে পরিচয়ের দেড় মাস পর পাঁচ লাখ টাকা কাবিন করে মেয়েটির সাথে বিয়ে হয় আমার। কাবিনের ৫ লাখ টাকা ছাড়াও একটি স্ট্যাম্পে সিগনেচার করে মেয়ে পক্ষ আমার কাছ থেকে আরও ১০ লাখ টাকা নেয়। তারপর সংসার করার দুই মাস পরে আমার বাসা থেকে প্রায় ৭ লাখ ও গহনা নিয়ে মেয়েটি পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে আমি মেয়েটির নামে আদালতে অভিযোগ করতে গেলে জানতে পারি যে সাথী আক্তারই উল্টো আমার নামে আদালতের মামলা করেছে। আমি নাকি যৌতুকের জন্য তার উপর নির্যাতন করেছি। ঠিক এই কথাগুলোই কান্না জড়িত কন্ঠে বলছিলেন জল্লাদ শাহজাহান। বিয়ে করে জল্লাদ শাজাহান এখন সর্বস্বান্ত।

জল্লাদ শাহজাহান বিয়ে করে সর্বশান্ত

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে তিনি ৫ লাখ টাকা পেয়েছিলেন। এছাড়া কারা কারা থাকাকালীন বিভিন্ন শুভাকাঙ্খী এবং আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া টাকাসহ তার কাছে মোট ১৮ লাখ টাকা ছিল। সেই টাকা সবই খুইয়েছেন বিয়ে করে।

জল্লাদ শাজাহান সব হারিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে গেছেন। তিনি বলেন, আমি এখন ২-৩ দিন পর পর ভাত খাই। ৪০ বছর কারাগারে থেকে এখন মনে হচ্ছে কারাগারই অনেক ভালো ছিল। বাইরের জীবন অনেক কঠিন। মানুষ মানুষকে এত ভাবে প্রতারিত করে জানা ছিল না। আমার দোকানে একটি ছেলে কাজ করতো, চার মাস কাজ করার পর সেও দোকানের ৪০ হাজার টাকা এবং মোবাইল চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়।

ভুয়া ডাক্তার মুনিয়া

সব হারিয়ে নিঃস্ব শাহজাহান এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার স্ত্রীর সাথী আক্তার ফাতেমার বিচার চান এবং নিজের জন্য চান একটি কর্মসংস্থান।