ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এবার গরুর মাংস বয়কট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪
  • / ২৮ বার পড়া হয়েছে

এবার গরুর মাংস বয়কট!

তরমুজের পর এবার গরুর মাংস বয়কটের ডাক দিয়েছে সাধারণ জনগন। পবিত্র মাহে রমজানে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে দিশেহারা সাধারণ জনগন। রমজান উপলক্ষে ২০০/২৫০ টাকার তরমুজ ৮০০/৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এরই প্রতিবাদে সাধারণ জনগণ তরমুজ কেনা বয়কট করেছে। বয়কটের কারণে তরমুজ বিক্রি কমে যাওয়ায় এর দামও কয়েক গুণ কমে গেছে। বর্তমানে ১০০/১৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৩/৪ কেজি ওজনের তরমুজ।

বিগত কয়েক মাস ধরেই গরুর মাংসের অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধিতে সেটি সাধারণ মানুষের ক্রয় সীমার বাইরে চলে গেছে। ৫০০/৫৫০ টাকা কেজির গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০/৮৫০ টাকায়। জনগণের ধারণা ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণেই দাম কমছে না গরুর মাংসের। তাই তারা গরুর মাংস বয়কটের আহ্বান করেছেন। এ নিয়ে দেশের মানুষ ফেসবুক ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। কেউ কেউ কিছুদিন গরুর মাংস কেনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন।

গত ১৫ মার্চ সরকারের পক্ষ থেকে গরুর মাংসের দাম কেজি প্রতি ৬৬৪ টাকা বেঁধে দেওয়া হয়। তবে ব্যবসায়ীরা সেই আদেশ অমান্য করে প্রতি কেজি ৮০০/৮৫০ টাকায় বিক্রি করছে। তাই আমজনতা এবার গরুর মাংস কেনাই বাদ দিচ্ছেন।

এবার গরুর মাংস বয়কট

এদিকে ভাইরাল গরুর মাংস ব্যবসায়ী খলিল বলেন, বাংলাদেশ সরকার যদি ভারত থেকে গরু প্রবেশের অনুমতি দেয় তাহলে মাংসের দাম প্রতি কেজি ৫০০ টাকা হবে। অন্তত ১০ দিনের জন্য হলেও ভারতীয় গরু দেশে আমদানির অনুমতি দিলে গরুর মাংসের দাম অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব।

গরুর মাংস বয়কট নিয়ে বিভিন্ন মানুষ ফেসবুকে বিভিন্ন রকমের পোস্ট দিচ্ছেন। তার মধ্যে একজন লিখেছেন, তরমুজের ভাব অনেক বেড়ে গিয়েছিল। আমজনতার বয়কটে সেই দাম এখন হাতের নাগালে। এভাবে গরুর মাংসও খাওয়া বাদ দিন। ১/২ মাস পরে দেখবেন সেটিও হাতের নাগালে চলে এসেছে। কারণ ক্রেতা না পাওয়া গেলে গরুর মাংস কয়দিন আর ফ্রিজে রাখা যাবে। তাছাড়া গরু বিক্রি না হলে সেই গরু পালতে বেশ খরচ রয়েছে। তাই গরুর মাংস খাওয়া বাদ দিন, দাম অবশ্যই কমবে।

পবিত্র মাহে রমজানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কিছুটা ভালো খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারিতে বিভিন্ন ফল যেমন তরমুজ এবং সেহরিতে মাছ, মাংস কারো না খেতে মন চায়। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে প্রতিটি দ্রব্যের দাম যেন বেড়েই চলছে। তারাই প্রতিবাদের শুরু সাধারণ জনগণ গরুর মাংস বয়কট করেছে। এর আগেও দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে তরমুজ, পেঁয়াজসহ বেশ কিছু খাদ্যদ্রব্য বয়কটের ডাক দিয়েছিল সাধারণ জনগণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এবার গরুর মাংস বয়কট

আপডেট সময় : ১১:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪

তরমুজের পর এবার গরুর মাংস বয়কটের ডাক দিয়েছে সাধারণ জনগন। পবিত্র মাহে রমজানে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে দিশেহারা সাধারণ জনগন। রমজান উপলক্ষে ২০০/২৫০ টাকার তরমুজ ৮০০/৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এরই প্রতিবাদে সাধারণ জনগণ তরমুজ কেনা বয়কট করেছে। বয়কটের কারণে তরমুজ বিক্রি কমে যাওয়ায় এর দামও কয়েক গুণ কমে গেছে। বর্তমানে ১০০/১৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৩/৪ কেজি ওজনের তরমুজ।

বিগত কয়েক মাস ধরেই গরুর মাংসের অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধিতে সেটি সাধারণ মানুষের ক্রয় সীমার বাইরে চলে গেছে। ৫০০/৫৫০ টাকা কেজির গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০/৮৫০ টাকায়। জনগণের ধারণা ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণেই দাম কমছে না গরুর মাংসের। তাই তারা গরুর মাংস বয়কটের আহ্বান করেছেন। এ নিয়ে দেশের মানুষ ফেসবুক ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। কেউ কেউ কিছুদিন গরুর মাংস কেনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন।

গত ১৫ মার্চ সরকারের পক্ষ থেকে গরুর মাংসের দাম কেজি প্রতি ৬৬৪ টাকা বেঁধে দেওয়া হয়। তবে ব্যবসায়ীরা সেই আদেশ অমান্য করে প্রতি কেজি ৮০০/৮৫০ টাকায় বিক্রি করছে। তাই আমজনতা এবার গরুর মাংস কেনাই বাদ দিচ্ছেন।

এবার গরুর মাংস বয়কট

এদিকে ভাইরাল গরুর মাংস ব্যবসায়ী খলিল বলেন, বাংলাদেশ সরকার যদি ভারত থেকে গরু প্রবেশের অনুমতি দেয় তাহলে মাংসের দাম প্রতি কেজি ৫০০ টাকা হবে। অন্তত ১০ দিনের জন্য হলেও ভারতীয় গরু দেশে আমদানির অনুমতি দিলে গরুর মাংসের দাম অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব।

গরুর মাংস বয়কট নিয়ে বিভিন্ন মানুষ ফেসবুকে বিভিন্ন রকমের পোস্ট দিচ্ছেন। তার মধ্যে একজন লিখেছেন, তরমুজের ভাব অনেক বেড়ে গিয়েছিল। আমজনতার বয়কটে সেই দাম এখন হাতের নাগালে। এভাবে গরুর মাংসও খাওয়া বাদ দিন। ১/২ মাস পরে দেখবেন সেটিও হাতের নাগালে চলে এসেছে। কারণ ক্রেতা না পাওয়া গেলে গরুর মাংস কয়দিন আর ফ্রিজে রাখা যাবে। তাছাড়া গরু বিক্রি না হলে সেই গরু পালতে বেশ খরচ রয়েছে। তাই গরুর মাংস খাওয়া বাদ দিন, দাম অবশ্যই কমবে।

পবিত্র মাহে রমজানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কিছুটা ভালো খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারিতে বিভিন্ন ফল যেমন তরমুজ এবং সেহরিতে মাছ, মাংস কারো না খেতে মন চায়। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে প্রতিটি দ্রব্যের দাম যেন বেড়েই চলছে। তারাই প্রতিবাদের শুরু সাধারণ জনগণ গরুর মাংস বয়কট করেছে। এর আগেও দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে তরমুজ, পেঁয়াজসহ বেশ কিছু খাদ্যদ্রব্য বয়কটের ডাক দিয়েছিল সাধারণ জনগণ।