ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শবে কদরের নামাজের নিয়ম আরবিতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
  • / ৩০ বার পড়া হয়েছে

শবে কদরের নামাজ

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত হলো শবে কদর বা লাইলাতুল কদর। পবিত্র মাহে রমজানের শেষ ১০ দিনের যেকোনো এক রাতে শবে কদর বা লাইলাতুল কদর পাওয়া যায়। পবিত্র এ রাতে কুরআন নাযিল হয়েছে বলে এটি হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। এই রাতে মুসলমানদের উপর আল্লাহর অশেষ নিয়ামত ও রহমত বর্ষিত হয়।

আমরা মুসলমানরা সাধারণত শবে কদরের রাতে সারারাত নফল নামাজ, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি ইবাদত বন্দেগী করে থাকি। সেই সাথে নিজেদের কৃত পাপসমূহের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করি। কারণ এই রাতে রয়েছে দোয়া কবুলের বিশেষ ওয়াদা।

তবে শবে কদর বা লাইলাতুল কদর রাত্রি কোন তারিখে পড়বে সেটা নির্দিষ্ট নয়। এ সম্পর্কে একাধিক হাদিস রয়েছে। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ ১০ দিনে শবে কদর তালাশ করতে বলেছেন।

শবে কদরের নামাজের নিয়ত (আরবিতে)

“নাওয়াইতো আন উসল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা রাকআতাই সালাতি লাইলাতিল কদর নাফলি মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতী আল্লাহু আকবার।”

এর অর্থ হলো ” আমি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য শবে কদরের দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া নিয়ত করলাম, আল্লাহু আকবার।

শবে কদরের নির্দিষ্ট কোন নামাজ বা নামাজের কোন নিয়ম নেই। তবে এই রাতে দুই রাকাত করে নফল নামাজ যত সুন্দর ভাবে সম্ভব পড়া যায় তত ভালো। আপনি যত খুশি দুই রাকাত করেন নফল নামাজ পড়তে পারবেন। আপনি চাইলে বেশি বেশি কুরআন পাঠ করতে পারবেন। সাথে বিভিন্ন দোয়া, ইস্তেগফার, তওবা ও জিকিরও করতে পারেন।

শবে কদরের রাতের তাৎপর্য ও ফজিলত অনেক। এই রাতে ফেরেশতারা ও জিব্রাইল (আ:) পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং ইবাদতে মগ্ন সকল মানুষের জন্য দোয়া করেন। হযরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসুল পাক (সাঃ) বলেন কেউ যদি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় শুদ্ধ নিয়তে শবে কদরের রাত তাহাজ্জুদ দ্বারা অতিবাহিত করে তাহলে তার আগের সকল গুনাহ মাফ করা হবে। (বুখারী)

রোজার ঈদ কবে

শবে কদরের রাত যাতে মিস না হয়ে যায় তার জন্য সবচেয়ে ভালো এবাদত হচ্ছে ইতিকাফে বসা। যারা এতেকাফের নিয়তে মসজিদে অবস্থান করেন তারা রমজানের শেষ দশ দিন নিয়মিত অনেক বেশি বেশি ইবাদত করেন। যাতে শবে কদরের রাত যেই দিনই সংঘটিত হোক না কেন সেটা যেন তিনি পেয়ে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শবে কদরের নামাজের নিয়ম আরবিতে

আপডেট সময় : ১০:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত হলো শবে কদর বা লাইলাতুল কদর। পবিত্র মাহে রমজানের শেষ ১০ দিনের যেকোনো এক রাতে শবে কদর বা লাইলাতুল কদর পাওয়া যায়। পবিত্র এ রাতে কুরআন নাযিল হয়েছে বলে এটি হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। এই রাতে মুসলমানদের উপর আল্লাহর অশেষ নিয়ামত ও রহমত বর্ষিত হয়।

আমরা মুসলমানরা সাধারণত শবে কদরের রাতে সারারাত নফল নামাজ, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি ইবাদত বন্দেগী করে থাকি। সেই সাথে নিজেদের কৃত পাপসমূহের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করি। কারণ এই রাতে রয়েছে দোয়া কবুলের বিশেষ ওয়াদা।

তবে শবে কদর বা লাইলাতুল কদর রাত্রি কোন তারিখে পড়বে সেটা নির্দিষ্ট নয়। এ সম্পর্কে একাধিক হাদিস রয়েছে। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ ১০ দিনে শবে কদর তালাশ করতে বলেছেন।

শবে কদরের নামাজের নিয়ত (আরবিতে)

“নাওয়াইতো আন উসল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা রাকআতাই সালাতি লাইলাতিল কদর নাফলি মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতী আল্লাহু আকবার।”

এর অর্থ হলো ” আমি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য শবে কদরের দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া নিয়ত করলাম, আল্লাহু আকবার।

শবে কদরের নির্দিষ্ট কোন নামাজ বা নামাজের কোন নিয়ম নেই। তবে এই রাতে দুই রাকাত করে নফল নামাজ যত সুন্দর ভাবে সম্ভব পড়া যায় তত ভালো। আপনি যত খুশি দুই রাকাত করেন নফল নামাজ পড়তে পারবেন। আপনি চাইলে বেশি বেশি কুরআন পাঠ করতে পারবেন। সাথে বিভিন্ন দোয়া, ইস্তেগফার, তওবা ও জিকিরও করতে পারেন।

শবে কদরের রাতের তাৎপর্য ও ফজিলত অনেক। এই রাতে ফেরেশতারা ও জিব্রাইল (আ:) পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং ইবাদতে মগ্ন সকল মানুষের জন্য দোয়া করেন। হযরত আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসুল পাক (সাঃ) বলেন কেউ যদি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় শুদ্ধ নিয়তে শবে কদরের রাত তাহাজ্জুদ দ্বারা অতিবাহিত করে তাহলে তার আগের সকল গুনাহ মাফ করা হবে। (বুখারী)

রোজার ঈদ কবে

শবে কদরের রাত যাতে মিস না হয়ে যায় তার জন্য সবচেয়ে ভালো এবাদত হচ্ছে ইতিকাফে বসা। যারা এতেকাফের নিয়তে মসজিদে অবস্থান করেন তারা রমজানের শেষ দশ দিন নিয়মিত অনেক বেশি বেশি ইবাদত করেন। যাতে শবে কদরের রাত যেই দিনই সংঘটিত হোক না কেন সেটা যেন তিনি পেয়ে যান।